স্ত্রী’র অনিচ্ছায় স্বামী জবরদস্তি মূলক সঙ্গম করলে, তা ধর্ষণ নয়! জানিয়ে দিলো ছত্তিশগড় হাইকোর্ট

0

বিয়ের পর জোরজবরদস্তি শারীরিক সম্পর্ক হলেও সেটা ধর্ষণ নয়, এমনই রায় দিলো ছত্তিশগড় হাইকোর্ট। তবে স্ত্রীর বয়স ১৫’র ওপরে থাকতে হবে।

স্ত্রীর বয়স ১৫-র বেশি হলে ভারতীয় আইনে দাম্পত্য ধর্ষণের স্থান নেই। এই যুক্তিতে এক ব্যক্তিকে মুক্তি দিল আদালত।

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক কখনই ধর্ষণ নয়। এমনকী যদি জোর জবরদস্তি সঙ্গমও হয়, তাও সেটা ধর্ষণ বলা যাবে না। বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড় আদালত এমনই রায় দিল।

ঘটনা হল, এই মামলায় অভিযোগকারিনী দাবি করেন, বিয়ের পর থেকে পণের দাবিতে তাঁর ওপর নানান নির্যাতন হতো। স্বামীর যৌন লালসারও শিকার হতেন তিনি। বাধা দিলে যৌনাঙ্গে আঙুল বা অন্য কোনও বস্তু ঢুকিয়ে দিতেন।এই নির্যাতনের সাক্ষী তাঁর বাবা-মা থেকে পড়শিরাও। সেই অভিযোগ শুনে বিচারপতি এনকে চন্দ্রবংশী বলেন, ”এই মামলায় অভিযোগকারী অভিযুক্তের বৈধ স্ত্রী। সুতরাং জোর করে বা স্ত্রী’র অনিচ্ছা সত্ত্বেও সঙ্গম ভারতীয় আইনের চোখে ধর্ষণ নয়।’ তবে ধর্ষণের ৩৭৬ ধারা থেকে মুক্তি দেওয়া হলেও ৩৭৭ ধারা ও ৪৯৮এ অর্থাৎ মহিলাদের ওপর নির্যাতনের ধারা বহাল রাখা হয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ হল, যৌন আনন্দ পেতে নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে কোনও জিনিস ঢোকানোর ঘটনা অপ্রাকৃতিক। সেই কারণে এই মামলায় ৩৭৭ ধারা সঠিক।

সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট একটি মামলার পর্যবেক্ষণে জানায়, বৈবাহিক ধর্ষণ ডির্ভোসের কারণ হতে পারে। যদিও এদিন একেবারে উল্টো রায় দিল ছত্তিশগড় হাইকোর্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here