ত্রিপুরায় TMC’র উপর হামলা! সংসদের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন দলের সাংসদরা

0

শনিবার ত্রিপুরায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন বাংলা থেকে যাওয়া তৃণমূলের ছাত্র ও যুবনেতারা। সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত, দেবাংশু ভট্টাচার্যর গাড়িতে পাথর ছোঁড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। আহত হন সুদীপ, জয়া। এর প্রতিবাদে থানার সামনে ধরনায় বসার পর রাতে তাঁদেরই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রবিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ত্রিপুরায় গিয়ে তাঁদের জামিন করিয়ে নিজের সঙ্গে কলকাতায় ফিরিয়ে আনেন। সোমবার এসএসকেএম হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার নেপথ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দায়ী করেছেন। তাঁর নির্দেশেই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। ফলে দিল্লির দরবারে এ নিয়ে তৃণমূল সাংসদদের সরব হওয়া অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

এদিকে, এনিয়ে দিল্লিতেও আছড়ে পড়েছে প্রতিবাদের ঢেউ। সোমবার সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই গান্ধীমূর্তির পাদদেশে প্ল্যাকার্ড হাতে ধরনায় শামিল হলেন তৃণমূল সাংসদরা। যদিও তৃণমূলের সংসদীয় দলের এই কর্মসূচি পূর্বঘোষিত। শনি ও রবিবার দফায় দফায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখান দলের সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূলের সংসদীয় নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কারো হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা- ত্রিপুরায় স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক। কোনো প্ল্যাকার্ডে আবার লেখা, ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ফেরাতে হবে। বাংলা, ইংরাজি দুই ভাষাতেই তৃণমূল সাংসদদের হাতে পোস্টার। সঙ্গে স্লোগান। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সংসদের বাইরে এভাবেই প্রতিবাদে মুখর হতে দেখা গেল সৌগত রায়, শান্তনু সেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়দের। দলের নির্দেশে সব সাংসদই এই কর্মসূচিতে এদিন যোগ দেন। এবার অধিবেশন কক্ষেও এ নিয়ে তাঁরা কীভাবে সরব হবেন, তা এখনও আলোচনাধীন। তবে ত্রিপুরা ইস্যু যে তৃণমূলের হাতে বিরোধিতার আরেক অস্ত্র তুলে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

অন্যদিকে, সোমবার অধিবেশন শুরু হওয়ামাত্রই পেগাসাস-সহ একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন। সাড়ে ১১টা পর্যন্ত লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here